বইয়ে প্রতিটি ছড়ার নিচে ছড়া লেখার স্থান ও সময় উল্লেখ করা আছে। সেখান থেকে দেখা যায় ছড়াগুলো লেখা ঢাকা ও কানাডার অটোয়ায়। ১৯৭৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৪২ বছরে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা ২৩টি ছড়ার সংকলন হলো এই বই।
ছড়াগুলোর শিরোনাম ‘ধন্য মুজিব’, ‘ইতিহাসে’, ‘শেখ মুজিবের নামে’, ‘বঙ্গবন্ধু: জাতির পিতা’, ‘ভুলব না’, ‘সাতই মার্চ ১৯৭১’, ‘চির অক্ষয়’, ‘স্বাধীনতার ঘোষক’, ‘১৫ আগস্ট: ১৯৭৫’, ‘শাবাশ মুজিবর’, ‘শেখ মুজিবের নামতা’, ‘জাতির পিতার জন্মদিনটা’, ‘বাংলাদেশকে আঁকতে হলে’, ‘আমার সম্পদ’, ‘ঋণ শোধ’, ‘তোমার নামে’, ‘টাকার মধ্যে এই ছবিটা কার?’, ‘মুজিবের সন্ধানে’, ‘বাংলাদেশের হৃদয় জুড়ে’, ‘মুজিবর মানে’, ‘মুজিব বন্দনা’, ‘সেরা বন্ধু বঙ্গবন্ধু’ ও ‘জয় বাংলা জয় মুজিবর’।
বইটির সর্বশেষ লেখা ছড়া হলো ‘সেরা বন্ধু বঙ্গবন্ধু’। ছড়াকার উল্লেখ করেছেন ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০০তম জন্মদিনে আমার নৈবেদ্য’।
তোমার নাকি বন্ধু অনেক?
যে বন্ধুরা তোমার আপন, তোমার
প্রিয় স্বজন।
বলতে পারো ক'জন ওরা? ক'জন?
তুমি ওদের নাম-ঠিকানা, কোথায়
থাকে কোথায় পড়ে
সবই জানো সবই চেনো,
কার কি স্বভাব, কার হৃদয়ে ভালোবাসার রঙটা বেশি গাঢ়
কারো কারো ফোন নাম্বার অনায়াসে
স্মৃতি থেকেই বলে দিতে পারো।
মোট কতোজন বন্ধু তোমার? একশো?
দু'শো? তারচে বেশি?
পাঁচশো নাকি হাজার?
এতো বন্ধু পাওয়া তো নয় সহজ
মোটে,
সুলভ দামে বন্ধু কিনতে পারবে
তুমি পৃথিবীতে নেইকো তেমন
শপিং প্লাজা, বাজার।
এক জীবনে হয় না বেশি বন্ধু
কারো। বন্ধুভাগ্য হয় না সবার ভালো
কোনো কোনো বন্ধু থাকে যে বন্ধুটির
দু’হাত ভরা ভালোবাসার আলো।
বাংলাদেশেই এমন একজন মানুষ
আছেন
কোটি কোটি বন্ধু যে তাঁর! সংখ্যাটা
যার গুণে গুণে যায় না করা শেষ...
তাঁর বন্ধুর তালিকাতে ষোলো
কোটি মানুষ এবং একটি পুরো দেশ!
এই বাংলার সকল কিছুর বন্ধু
তিনি, আকাশ-বাতাস-মৃত্তিকা-ঘাস
সাগর-নদী-ফুল-পাখি আর স্নিগ্ধ
পাহাড় সবার তিনি আপন।
বন্ধু তিনি বাঙালি আর বাংলাদেশের
তাঁকে ঘিরেই একটি জাতির স্বপ্ন,
জীবন যাপন।
তিনি হচ্ছেন 'বঙ্গবন্ধু' অর্থাৎ
কী না শেখ মুজিবুর, তিনি জাতির পিতা।
মানচিত্রের সমান তিনি, স্বাধীনতার
মোহন বাঁশি, শোষিতদের মিতা।
No comments:
Post a Comment