Thursday, March 18, 2021

প্রতিবারের ন্যায় এবারও বই মেলায় মেজর (অব,) সুধীর সাহার তিনটি গবেষণা ও প্রবন্ধের বই প্রকাশিত।

 

 

২০২১ সালের অমর একুশের বই মেলায়  লেখক গবেষক   মেজর (অব,) সুধীর সাহার   তিনটি  গবেষণা ও প্রবন্ধের বই প্রকাশিত হয়েছে  অমিয় ধারা প্রকাশনা থেকে। উল্লেখ্য  একুশের বই মেলায় মেজর (অব,) সুধীর সাহার নিয়মিতভাবে উল্লেখযোগ্য পরিমান বই প্রকাশিত হয়ে আসছে। 

২০২০ সালের অমর  একুশের বই মেলায় লেখক গবেষক মেজর (অব.) সুধীর সাহার প্রবন্ধ ও গবেষণামূলক মোট ০৬টি বই বের হয়েছিল।   লেখক গবেষকের জন্মস্থান ঢাকা  জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া গ্রামে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এলএলবি সম্মান ও এলএলএম শেষ করে আইন পেশায় কর্মজীবন শুরু করেন। অতঃপর কমিশন অফিসার হিসাবে যোগ দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জজ অ্যাডভোকেট জেনারেল ডিপার্টমেন্ট। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহন করে কানাডায় চলে যান। একজন ইম্রিগেন্ট বিশেষজ্ঞ হিসাবেও সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হন। তাঁর নিজের প্রতিষ্ঠান আইএলসিবি বেশ সুনাম অর্জন করেছে।
প্রবাসে বসবাস করলেও কৃতিমান পুরুষ যখনি সময় পান চলে আসেন মাতৃভূমিতে। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন নিয়মিতভাবে। বিশেষ করে প্রতিবছর একুশের বই মেলাতে সামনে রেখে চলে আসেন প্রিয় বাংলা একাডেমীর প্রাঙ্গণ।

 এবারের বই মেলায় ৩টি গবেষণা ও প্রবন্ধের বই প্রকাশিত হয়েছে।

 

May be an image of 1 person and text that says 'অমিয় ধারা প্রবন্ধ এবং গবেষণাধর্মী প্রকাশনালয় স্টল নং ৪৬১ ২০২১ সালের বইমেলায় মেজর (অব.) সুধীর সাহার ৩টি গবেষণা ও প্রবন্ধের বই সেরা ধনীদের জবসাইন (অব.) প্রবন্ধমালা (অব.) সুধীর সাহা উপোদন তিহস পৃথিবীর সেরা ধনীদের জীবনকাহিনী ধর্ম উখানের ইতিহাস প্রবন্ধমালা'

 

 

বই মেলার আরও খবরঃ  প্রবাসী ডাঃ রাইসা আক্তারের কবিতার বই 

নৈঃশব্দের গহীনে



প্রথম কবিতার বই নিয়ে ভাবনা

 


প্রথম কবিতার বই নিয়ে পাঠকদের সামনে আসছে আশনা হাবিব ভাবনা। তার বইয়ের নাম ‘রাস্তার ধারের গাছটির কোনো ধর্ম ছিলো না’।

এবারের বইমেলায় পাঠক সমাবেশ থেকে প্রকাশিত হবে। বইয়ে স্থান পেয়েছে মোট ৫০টি কবিতা।

আশনা হাবিব ভাবনা দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘বইয়ের কবিতাগুলোর মধ্যে তিন বছর আগে লেখা কবিতা যেমন আছে তেমন আছে এই সময়ের লেখাও। আমি আসলে আমার অনুভূতিগুলো লিখতে চেয়েছি। আমার ভেতরের অনুভব, অনুভূতিগুলো শব্দে ধরতে চেয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসলে আমি আমার মনের গভীরের অনুভূতি লিখতে চেয়েছি। প্রতিটা অনুভূতির এক একটা গল্প আছে। সেই গল্পগুলোই কবিতায় তুলে এনেছি। প্রকাশক বিজু ভাই কবিতাগুলো বইয়ের রূপ দিয়েছেন। প্রথম কবিতার বই নিয়ে আমার ভেতরে বেশ উত্তেজনা কাজ করছে।’

এর আগে আশনা হাবিব ভাবনার লেখা ‘গুলনেহার’ ও ‘তারা’ নামে দুটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। আসছে বইমেলায় ‘গোলাপী জমিন’ নামে আরও একটি নতুন উপন্যাস প্রকাশিত হবে।

Saturday, March 13, 2021

প্রবাসী ডাঃ রাইসা আখতার খানের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ “নৈঃশব্দের গহীনে”

 

 May be an image of 1 person and jewelry

 ডাঃ রাইসা আখতার খান। সৃষ্টি সুখের উল্লাসে...........

https://scontent.fdac27-1.fna.fbcdn.net/v/t1.0-9/155149734_10226175686281165_6987612478654523785_n.jpg?_nc_cat=111&ccb=1-3&_nc_sid=8bfeb9&_nc_eui2=AeEuz6HpNAzWfGDmX6pMIS2qG5MFobbNkBYbkwWhts2QFhZVP20jRBGiGlBrZTqEZXFLBhMrJ0LL9_sXvFjXmgRq&_nc_ohc=hlRKHXhrG70AX-hqYv4&_nc_ht=scontent.fdac27-1.fna&oh=731c1674539c29bf194aaba43cd0fe28&oe=6073AA04

পুরো নাম  ডাঃ রাইসা আখতার খান । জন্ম ৯ই নভেম্বর ঢাকায়। বাবা মোহাম্মদ রেজওয়ার আলী খান ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক। মা সাফাতুল মাআদ ছিলেন গুলশান মডেল  স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। মা বাবার অনুপ্রেরনায় লেখালেখির হাতেখড়ি।

ডাঃ রাইসা আখতার খান হলিক্রস স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং হলিক্রস কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল  কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন।  চাকুরী জীবনে  বিভিন্ন ফিল্ডে সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর  নিয়ে কাজ করেছেন। বর্তমান রাইসা আখতার খান কানাডা প্রবাসী।

নিজের লেখা কবিতা আবৃতি করছেন ডাঃ রাইসা।

ডাঃ রাইসা আখতার খান  পরিবার পরিজন নিয়ে প্রবাসে বসবাস করলেও  মাটির মায়াকে ছাড়তে পারেনি। প্রতি বছর বই মেলাকে সামনে রেখে চলে আসেন বাংলা একাডেমী চত্বরে।   এবারের বই মেলায় তাঁর  দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ “নৈঃশব্দের গহীনে” পাওয়া যাবে সাহিত্য কালে।   

প্রবাসে বসবাস করলেও বাঙ্গালীর গৌরব বক্ষে ধারন করে লালন করে যাচ্ছেন।

ডাঃ রাইসা আখতার খান এর  প্রথম কাব্যগ্রন্থ “স্বপ্নে বিভোর ”  বের হয়েছিলো গত বছর বই মেলায়। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ছড়াকার লুৎফর রহমান লিটনকে দিয়ে মোড়ক উন্মোচন করেছিলেন বেশ জাঁকজমকভাবে। এবারের বই  মেলায় কোভিড –১৯ এর কারনে উপস্থিত হতে পারেননি।

আশা করা যাচ্ছে গতবারের ন্যায় এবারও ডাঃ রাইসা আখতার খান এর  দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ “নৈঃশব্দের গহীনে”  পাঠকদের মাঝে  ব্যাপক সাড়া ফেলবে। আমরা  প্রবাসী ডাঃ রাইসা আখতার খান এর  এই পথ চলাকে উৎসাহিত করি।  আপনি নিজে সংগ্রহ করুন এবং অপরকেও অনুপ্রানিত করুন।

Thursday, February 27, 2020

দ্য কিংস অব দ্য কিংডম অব সৌদি আরাবিয়া

দ্য কিংস অব দ্য কিংডম অব সৌদি আরাবিয়া
সৌদি আরব কেবল কোনো একটি দেশ নয়। মুসলিম উম্মাহর চেতনার বাতিঘর- পবিত্রভূমি। কাবা শরিফ, মসজিদে নববিসহ হাজারও পুণ্যময় স্থান-স্থাপনা রয়েছে যে মাটিতে।
পবিত্র এ ভূমির রাজা-বাদশা কে ছিলেন? কারা এ দেশ শাসন করেছেন? কেমন ছিল তাদের আচার-ব্যবহার ও রাষ্ট্র শাসনের নীতিমালা? কে কীভাবে শাসনক্ষমতায় এসেছিলেন? তারা সবাই কি রাসূল (সা.)-এর আদর্শ মেনে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন নাকি চলছেন যে যার মতো?
সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে এ আয়োজনে- প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বা আধুনিক সৌদি আরবের মোট ২০ জন রাজা-বাদশাহর প্রামাণ্য জীবনী তথ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাভাষায় রচিত হয়েছে ‘দ্য কিংস অব দ্য কিংডম অব সৌদি আরাবিয়া’। এ পর্যায়গুলোকে যথাক্রমে- প্রথম সৌদি রাষ্ট্র বা দিরিয়া আমিরাত, দ্বিতীয় সৌদি রাষ্ট্র বা নজদ আমিরাত এবং আধুনিক সৌদি রাষ্ট্র নামকরণে চিহ্নিত করা হয়।
দ্য সুলতান ও রাহনুমা প্রকাশনী যৌথভাবে বইটি প্রকাশ করেছে। পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৯২। মূল্য ৫৫০ টাকা। যোগযোগ : ০১৮৫৬১৪৪৪৪১ নম্বরে।

Friday, February 21, 2020

মাতৃভাষা দিবসে ‘বাংলা ফন্ট’ চালু করল জাতিসংঘ

ইউএনবি, ঢাকা
বাংলা ভাষার প্রতি সম্মান জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ‘ইউএন বাংলা ফন্ট’ ও ২০১৯ সালের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ বাংলায় প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।
আজ শুক্রবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন আনুষ্ঠানিকভাবে ইউএন বাংলা ফন্টের উদ্বোধন করেন।
ইউএনডিপি জানায়, বাংলা বর্ণমালার যুক্তাক্ষর ও মাত্রাসহ অন্যান্য বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে এই ফন্ট তৈরি করা হয়েছে। ইউএনডিপি’র ওয়েবসাইট থেকে এই ফন্ট ডাউনলোড করা যাবে।
অনুষ্ঠানে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী প্রশাসক এবং আঞ্চলিক ব্যুরো ক্যানি উয়িনারাযা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০১৯ এর বাংলা সংস্করণটির সংক্ষিপ্তসারের লেখক ড. সেলিম জাহান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি, উপ-আবাসিক প্রতিনিধি ভ্যান এনগুয়েন এবং ড. সেলিম জাহান।
উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ড. মোমেন বলেন, বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার প্রচেষ্টা চলছে এবং সরকারের এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে জাতিসংঘের ছয়টি দাপ্তরিক ভাষা রয়েছে। এগুলো হলো- ইংরেজি, আরবি, চাইনিজ, ফ্রেঞ্চ, রাশিয়ান এবং স্প্যানিশ।

ডেইলী স্টার

আন্তর্জাতিক সীমারেখায় মাতৃভাষা দিবস ‘আমরা এসেছি হৃদয়ের টানে’

নিজস্ব সংবাদদাতা, বেনাপোল
“আমার এসেছি হৃদয়ের টানে। বার বার ছুটে আসি। দেশ ভাগ হলেও ভাষার পরিবর্তন হয়নি। আমরা ওপারে থাকলেও শহীদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ সকল ভাষা সৈনিকের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল।”
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বেনাপোলে অস্থায়ী শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে এসে কথাগুলো বললেন পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী শ্রী জ্যোতি প্রিয় মল্লিক। আর তাকে স্বাগতম জানাতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য। 
দুই বাংলার হাজারো মানুষের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে ভরে গেল ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমারেখার যশোরের বেনাপোলের নো ম্যানস ল্যান্ডে নির্মিত শহীদ বেদি। আলোচনা আর গানে-কবিতায় মাতোয়ারা হলো দুই বাংলার আকাশ-বাতাস।
প্রতি বছরের মতো আজ শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে যশোরের বেনাপোল সীমান্তে দুই বাংলার বাসিন্দারা এক সঙ্গে মিলিত হয়ে পালন করছেন একুশে ফেব্রুয়ারি। দুই দেশের জাতীয় পতাকা, ফেস্টুন, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, আর ফুল দিয়ে সাজানো ছিলো পুরো এলাকা। বেনাপোল চেকপোস্টে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্যদিয়ে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান উভয় দেশের জনপ্রতিনিধিসহ সরকারি কর্মকর্তারা।
এরপর ভারতীয় মন্ত্রীসহ নেতাদের নিয়ে চেকপোস্টে তৈরি করা মঞ্চে শহীদদের স্মরণে কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের পর শুরু হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 
সভায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “ভাষা আর স্বাধীনতার জন্য এতো ত্যাগের নজির পৃথিবীতে অন্য কারোর নেই। এ জন্য আপনারা গর্বিত জাতি। ভাষার টানে আমরা বাংলাদেশে ছুটে এসেছি একুশ উদযাপন করতে।”
প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, “ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের দুই দেশের মধ্যে উপস্থিত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের ভিতকে আরো শক্ত করবে।”
আলোচনা সভা শেষে বেলা বারোটার দিকে উভয় দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর পরিবেশনায় শুরু হয় একুশের কবিতা আবৃত্তি, গীতিনাট্য আর সংগীতানুষ্ঠান। সন্ধ্যা পর্যন্ত বেনাপোলে দুই বাংলার এ মিলনমেলার এ আয়োজন চলবে।
২০০২ সাল থেকে দুই বাংলার হাজারো মানুষের এই মিলনমেলা উদযাপিত হয়ে আসছে। আজকের এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী, যশোরের জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস, উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলা পরিষদের সভাপতি রহিমা মণ্ডল, বনগাঁ পৌর মেয়র শংকর আঢ্য প্রমুখ।

ডেইলী স্টার

বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

স্টার অনলাইন ডেস্ক
১৯৯৯ সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে ইউনেস্কো। ২০০০ সাল থেকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশ এ দিনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে আসছে। প্রতি বছরের মতো এবারও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উদযাপন করছে ইউনেস্কো।
দিবসটি উপলক্ষে প্যারিসে ইউনেস্কো সদরদপ্তরে দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ‘ল্যাঙ্গুয়েজ উইদাউট বর্ডার’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা।
সদস্য দেশগুলোতে ভাষা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন এবং ভাষাগত বৈচিত্র্যকে সংরক্ষণের জন্য সংস্থাটি কাজ করে আসছে। ইন্টারনেট এবং মিডিয়ায় যেন ভাষাগত বৈচিত্র্য হারিয়ে না যায় এবং ভাষাকে কীভাবে আরো সহজ করা যায় সে বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।
ইউনেস্কোর কান্ট্রি অফিস এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর ক্রিটিক্যাল হেরিটেজ যৌথভাবে সুদানের খারতুমে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এসময় মাতৃভাষার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দেশটির আঞ্চলিক ভাষার গানের সঙ্গে নাচসহ অন্যান্য কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে টুইটারে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট। ইইউর ২৪টি দাপ্তরিক ভাষা আছে এবং জোটের কাগজপত্র, আইনের ধারা এই ২৪টি ভাষায় অনূদিত হয় উল্লেখ করে তারা মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছে।

ডেইলী স্টার