Thursday, February 27, 2020

দ্য কিংস অব দ্য কিংডম অব সৌদি আরাবিয়া

দ্য কিংস অব দ্য কিংডম অব সৌদি আরাবিয়া
সৌদি আরব কেবল কোনো একটি দেশ নয়। মুসলিম উম্মাহর চেতনার বাতিঘর- পবিত্রভূমি। কাবা শরিফ, মসজিদে নববিসহ হাজারও পুণ্যময় স্থান-স্থাপনা রয়েছে যে মাটিতে।
পবিত্র এ ভূমির রাজা-বাদশা কে ছিলেন? কারা এ দেশ শাসন করেছেন? কেমন ছিল তাদের আচার-ব্যবহার ও রাষ্ট্র শাসনের নীতিমালা? কে কীভাবে শাসনক্ষমতায় এসেছিলেন? তারা সবাই কি রাসূল (সা.)-এর আদর্শ মেনে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন নাকি চলছেন যে যার মতো?
সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে এ আয়োজনে- প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বা আধুনিক সৌদি আরবের মোট ২০ জন রাজা-বাদশাহর প্রামাণ্য জীবনী তথ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাভাষায় রচিত হয়েছে ‘দ্য কিংস অব দ্য কিংডম অব সৌদি আরাবিয়া’। এ পর্যায়গুলোকে যথাক্রমে- প্রথম সৌদি রাষ্ট্র বা দিরিয়া আমিরাত, দ্বিতীয় সৌদি রাষ্ট্র বা নজদ আমিরাত এবং আধুনিক সৌদি রাষ্ট্র নামকরণে চিহ্নিত করা হয়।
দ্য সুলতান ও রাহনুমা প্রকাশনী যৌথভাবে বইটি প্রকাশ করেছে। পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৯২। মূল্য ৫৫০ টাকা। যোগযোগ : ০১৮৫৬১৪৪৪৪১ নম্বরে।

Friday, February 21, 2020

মাতৃভাষা দিবসে ‘বাংলা ফন্ট’ চালু করল জাতিসংঘ

ইউএনবি, ঢাকা
বাংলা ভাষার প্রতি সম্মান জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ‘ইউএন বাংলা ফন্ট’ ও ২০১৯ সালের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ বাংলায় প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।
আজ শুক্রবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন আনুষ্ঠানিকভাবে ইউএন বাংলা ফন্টের উদ্বোধন করেন।
ইউএনডিপি জানায়, বাংলা বর্ণমালার যুক্তাক্ষর ও মাত্রাসহ অন্যান্য বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে এই ফন্ট তৈরি করা হয়েছে। ইউএনডিপি’র ওয়েবসাইট থেকে এই ফন্ট ডাউনলোড করা যাবে।
অনুষ্ঠানে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী প্রশাসক এবং আঞ্চলিক ব্যুরো ক্যানি উয়িনারাযা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০১৯ এর বাংলা সংস্করণটির সংক্ষিপ্তসারের লেখক ড. সেলিম জাহান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি, উপ-আবাসিক প্রতিনিধি ভ্যান এনগুয়েন এবং ড. সেলিম জাহান।
উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ড. মোমেন বলেন, বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার প্রচেষ্টা চলছে এবং সরকারের এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে জাতিসংঘের ছয়টি দাপ্তরিক ভাষা রয়েছে। এগুলো হলো- ইংরেজি, আরবি, চাইনিজ, ফ্রেঞ্চ, রাশিয়ান এবং স্প্যানিশ।

ডেইলী স্টার

আন্তর্জাতিক সীমারেখায় মাতৃভাষা দিবস ‘আমরা এসেছি হৃদয়ের টানে’

নিজস্ব সংবাদদাতা, বেনাপোল
“আমার এসেছি হৃদয়ের টানে। বার বার ছুটে আসি। দেশ ভাগ হলেও ভাষার পরিবর্তন হয়নি। আমরা ওপারে থাকলেও শহীদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ সকল ভাষা সৈনিকের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল।”
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বেনাপোলে অস্থায়ী শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে এসে কথাগুলো বললেন পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী শ্রী জ্যোতি প্রিয় মল্লিক। আর তাকে স্বাগতম জানাতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য। 
দুই বাংলার হাজারো মানুষের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে ভরে গেল ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমারেখার যশোরের বেনাপোলের নো ম্যানস ল্যান্ডে নির্মিত শহীদ বেদি। আলোচনা আর গানে-কবিতায় মাতোয়ারা হলো দুই বাংলার আকাশ-বাতাস।
প্রতি বছরের মতো আজ শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে যশোরের বেনাপোল সীমান্তে দুই বাংলার বাসিন্দারা এক সঙ্গে মিলিত হয়ে পালন করছেন একুশে ফেব্রুয়ারি। দুই দেশের জাতীয় পতাকা, ফেস্টুন, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, আর ফুল দিয়ে সাজানো ছিলো পুরো এলাকা। বেনাপোল চেকপোস্টে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্যদিয়ে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান উভয় দেশের জনপ্রতিনিধিসহ সরকারি কর্মকর্তারা।
এরপর ভারতীয় মন্ত্রীসহ নেতাদের নিয়ে চেকপোস্টে তৈরি করা মঞ্চে শহীদদের স্মরণে কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের পর শুরু হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 
সভায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “ভাষা আর স্বাধীনতার জন্য এতো ত্যাগের নজির পৃথিবীতে অন্য কারোর নেই। এ জন্য আপনারা গর্বিত জাতি। ভাষার টানে আমরা বাংলাদেশে ছুটে এসেছি একুশ উদযাপন করতে।”
প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, “ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের দুই দেশের মধ্যে উপস্থিত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের ভিতকে আরো শক্ত করবে।”
আলোচনা সভা শেষে বেলা বারোটার দিকে উভয় দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর পরিবেশনায় শুরু হয় একুশের কবিতা আবৃত্তি, গীতিনাট্য আর সংগীতানুষ্ঠান। সন্ধ্যা পর্যন্ত বেনাপোলে দুই বাংলার এ মিলনমেলার এ আয়োজন চলবে।
২০০২ সাল থেকে দুই বাংলার হাজারো মানুষের এই মিলনমেলা উদযাপিত হয়ে আসছে। আজকের এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী, যশোরের জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস, উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলা পরিষদের সভাপতি রহিমা মণ্ডল, বনগাঁ পৌর মেয়র শংকর আঢ্য প্রমুখ।

ডেইলী স্টার

বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

স্টার অনলাইন ডেস্ক
১৯৯৯ সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে ইউনেস্কো। ২০০০ সাল থেকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশ এ দিনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে আসছে। প্রতি বছরের মতো এবারও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উদযাপন করছে ইউনেস্কো।
দিবসটি উপলক্ষে প্যারিসে ইউনেস্কো সদরদপ্তরে দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ‘ল্যাঙ্গুয়েজ উইদাউট বর্ডার’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা।
সদস্য দেশগুলোতে ভাষা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন এবং ভাষাগত বৈচিত্র্যকে সংরক্ষণের জন্য সংস্থাটি কাজ করে আসছে। ইন্টারনেট এবং মিডিয়ায় যেন ভাষাগত বৈচিত্র্য হারিয়ে না যায় এবং ভাষাকে কীভাবে আরো সহজ করা যায় সে বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।
ইউনেস্কোর কান্ট্রি অফিস এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর ক্রিটিক্যাল হেরিটেজ যৌথভাবে সুদানের খারতুমে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এসময় মাতৃভাষার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দেশটির আঞ্চলিক ভাষার গানের সঙ্গে নাচসহ অন্যান্য কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে টুইটারে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট। ইইউর ২৪টি দাপ্তরিক ভাষা আছে এবং জোটের কাগজপত্র, আইনের ধারা এই ২৪টি ভাষায় অনূদিত হয় উল্লেখ করে তারা মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছে।

ডেইলী স্টার

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০: জনস্রোতে ভাষার জন্য ভালোবাসা

বইমেলায় চারদিকে মানুষের ঢল

 যুগান্তর

বইমেলায় চারদিকে মানুষের ঢল। ছবি: স্টার মেইল
চারদিকে মানুষের ঢল। এত বড় পরিসর নিয়ে মেলা তবুও হাঁটতে কষ্ট হয়। শিশু, কিশোর, তরুণ, তরুণী- সব বয়সী মানুষ। মহান একুশের দিনে ভাষার প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনে সবাই এলেন বর্ণমালা খচিত পোশাকে। মেলায় বইয়ের বিকিকিনির পাশাপাশি সবার মুখে মুখে ছিল একুশের দিনের কথা।
অমর একুশের দিনটি শোকের। তবে এ শোক এখন শক্তিও। সারাবিশ্বে দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়েছে। এদিন ভাষা দিবসের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে পথে নেমেছে জনতার ঢল।
শহীদ মিনারের বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়ে সবাই পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটে আসেন বইমেলায়। এদিন মেলার দ্বার খুলে যায় সকাল ৮টায়, মেলা চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। সারাদিনই মেলায় ছিল জনতার আনাগোনা। তবে সন্ধ্যায় তিল ধারণের জায়গা ছিল না সোহরাওয়ার্দী ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে। মেলায় মানুষের সমাগমের সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিও ছিল বেশ।
মূলমঞ্চের আয়োজন : গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে সকাল সাড়ে ৭টায় হয় স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর। এতে শতাধিক নবীন-প্রবীণ কবি কবিতা পাঠে অংশ নেন। সভাপতিত্ব করেন কবি রুবী রহমান। বিকাল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় অমর একুশে বক্তৃতা।
‘বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ ও সাম্প্রতিক উন্নয়ন’ শীর্ষক একুশে বক্তৃতা প্রদান করেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।
অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবনের সার্বক্ষণিক চিন্তা ছিল বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষ বাঙালির কথা। তার ‘সোনার বাংলা’ প্রত্যয়ে দেশ বাংলা ও বাঙালি এ দুই ধারণাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বঙ্গবন্ধু উপলব্ধি করেছিলেন, বাংলাদেশ ভৌগোলিক আয়তনে ছোট, জনসংখ্যায় বিশাল, এ দেশের মানুষকে বাঁচাতে হলে, খাদ্যসহ সব ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়াতে হবে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর দেশ-দর্শনে সামাজিক ও শ্রেণিগত বৈষম্য আদৌ গ্রহণযোগ্য ছিল না। মহান এই নেতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তারই মতো অসমসাহসী ও বিচক্ষণ। তিনি তার পিতার, আমাদের জাতির জনকের, স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্য-দুর্নীতিমুক্ত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন।
সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ তার সব সমস্যা ও সংকট সত্ত্বেও উন্নয়নের ধারায় যে অনেক ধাপ এগিয়ে গেছে সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। তবে উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে সম্পদের ন্যায়পূর্ণ বণ্টন নিশ্চিতের মাধ্যমে বৈষম্য দূর করতে হবে এবং সামাজিক ও পরিবেশগত সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
স্বাগত ভাষণে হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, এ বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মহান পরম্পরায় ২০২২ সালে ভাষা আন্দোলনের সত্তর বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে। বাংলা একাডেমি জাতীয় জীবনের এই তিন মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখতে এখন থেকেই নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ করেন মিনার মনসুর, শিহাব সরকার, আনিসুল হক এবং শেখর বরণ দাশ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় ও জালাল উদ্দিন হীরা।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছিল ফকির সিরাজের পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী’র পরিবেশনা। সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী ফকির আলমগীর, কল্যাণী ঘোষ, বুলবুল মহলানবীশ, মহাদেব ঘোষ, সমর বড়ুয়া এবং নাহিদ নাজিয়া।
লেখক বলছি মঞ্চ : লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন জিএইচ হাবীব, শাহেদ কায়েস, শিল্পী রহমান ও সুহান রিজওয়ান।
নতুন বই : বইমেলায় শুক্রবার নতুন বই এসেছে ৫০৮টি। এর মধ্যে আগামী প্রকাশনী এনেছে ‘মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস সমগ্র’, আবিষ্কার এনেছে রবিউল হুসাইনের কাব্যগ্রন্থ ‘কি আছে এই অন্ধকারের গভীরে’, মহাকাল এনেছে হাবীবুল্লাহ সিরাজীর কাব্যগ্রন্থ ‘ছিন্নভিন্ন অপরাহ্ন’, রীনা মজুমদারের ‘বাস্তবতার বেড়াজালে’, কথা প্রকাশ এনেছে মুনতাসীর মামুনের ‘বাংলাদেশ ১৯৭১ গণহত্যা নির্যাতনের রাজনীতি’, পুথিনিলয় এনেছে জাকির তালুকদার ‘গল্প সমগ্র ২’, বিপ্রদাশ বড়ুয়ার ‘তিনটি গোয়েন্দা কাহিনী’, ইমদাদুল হক মিলনের ‘তোমার ভালোবাসা’, য়ারোয়া বুক কর্নার এনেছে কাজী রোজীর ‘শেখ মুজিবুর বাঙালির বাতিঘর’, জ্ঞানকোষ এনেছে মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘আমার সাইন্টিস মামা’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
আজকের মেলা : আজ শনিবার অমর একুশে গ্রন্থমেলার ২১তম দিন। মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মেলায় থাকবে শিশুপ্রহর।
সকাল ১১টায় শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর এমপি।
বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে শামসুজ্জামান খান সম্পাদিত ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ পাঠ করবেন মফিদুল হক। আলোচনায় অংশ নেবেন ড. সোনিয়া নিশাত আমিন, গোলাম কুদ্দুছ ও মামুন সিদ্দিকী। সভাপতিত্ব করবেন ড. মুহাম্মদ সামাদ।



বই মেলা কিছু ছবিঃ










https://scontent.fdac9-1.fna.fbcdn.net/v/t1.15752-0/p280x280/87342688_2773853099365276_8083876295072546816_n.jpg?_nc_cat=105&_nc_eui2=AeGPvL4Trk73PqWQs0akh_u2chaaHI_XfqePHGDXtX1WaV40ufI_Z_vEocjTCi7WVj7mqNbGLOS6xsSXf_JERHlc2TcEFuEAjRNIsT2RGXT4ww&_nc_oc=AQkFGlrWHL0ewtb_E33RcwmbkmZvWtJWmERwlacuYaCgaXhtamc4kG02qpDe8-AuyMg&_nc_ht=scontent.fdac9-1.fna&_nc_tp=6&oh=3f9444ba352bc0fd4174dc8c3105e9a2&oe=5EFAFDCF




https://scontent.fdac9-1.fna.fbcdn.net/v/t1.15752-0/p280x280/87631758_217574626095313_8917243531253252096_n.jpg?_nc_cat=106&_nc_eui2=AeFdUfMIkS4i1gohQeDZajeeLc8kl-68LL2pEGuLwXEaDH4fJSSAYREDnsAtgRkRgOh_znj20C2i1NClPQVyNh8oOla6gUNbvYShy5wP6TF8aQ&_nc_oc=AQmhSB_pg_XUVUkMEhjNwDkwugVq2r9SqdjnqzoRUxpkKbgwxUTAwY7GtUmCDzU_uGU&_nc_ht=scontent.fdac9-1.fna&_nc_tp=6&oh=9c0823f8a5b62414ce916b957e9ee867&oe=5E51C50A





বই মেলায় বিজ্ঞজন ও প্রবীণ পরমাণু বিজ্ঞানী ফয়জুর রহমান স্যারের সান্নিধ্যে কিছুক্ষন- ..............................



 Image may contain: 4 people, including Rana Bhuiyan, people sitting






দুপুরেই স্যারের সাথে টেলিফোনে সাক্ষাৎতের বিষয়ে কথা হয়েছিলো সাংবাদিক রাশিম মোল্লার সাথে। সেই সূত্রেই হাজির হয়েছিলাম বাংলা প্রকাশ প্যাভিলিয়নে । বই মেলার পাঠকদের উপচে পড়া ভীড়। ভিতরে প্রবেশ করা দুস্কর হয়ে পড়েছিলো । একের পর এক অটোগ্রাফ দিয়ে যাচ্ছেন ৮৬ বছর বয়সী লেখক ড. ফয়জুর রহমান আল সিদ্দিক । অবশেষে স্যারের দৃষ্টি আকর্ষন করতে সক্ষম হই। গ্রামের নাম বলাতে চিনতে না পারলেও শিকারীপাড়ার কথা বলাতেই চিনতে পারলেন । বয়সের ভারে নূয্য কিন্তু মনোবল বেশ শক্ত। যা যা জিজ্ঞেস করার আমরা দুজন একে একে স্যারের কাজের ফাঁকে ফাঁকে উত্তর পেয়ে যাচ্ছিলাম। আবার অনেক সময় কাজ বাদ দিয়েই উত্তর দিচ্ছিলেন। বিকেলের ক্লান্ত-অবশান্ত দেহ নিয়ে উত্তর দিচ্ছিলেন- জন্মভূমি নবাবগঞ্জ এর প্রসংগে তুলতেই মনে হলো আবার প্রান ফিরে পেলেন এই জীবন্ত কিংবদন্তী । নিজেদের কাছে অনেকটা স্বপ্নের মতো মনে হলো এমন এক বিজ্ঞজনের সামনে বসে কথা বলছি। আবার গর্বে মন ভরে যাচ্ছে এই ভেবে স্যারের জন্মস্থান আমাদের প্রিয় নবাবগঞ্জে। গ্রামের প্রতি জন্মভূমির প্রতি নিদারুন উদ্দীপনা তাঁর কথাতে খুঁজে পেলাম। দোহার নবাবগঞ্জে মাদকের প্রসংগে তিনি যুব সমাজকে বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সকলকে এগিয়ে আসতে বলেন । স্যারের লেখা “বাঙালির সাফল্য ও ব্যর্থতা” বইটি এখন বই মেলার সবচেয়ে আকর্ষনীয় । স্যারের সঙ্গী যে যুবকটি সহযোগীতা করছেন তিনি জানান স্যারের এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এবং মেয়ে শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন। বাংলা প্রকাশ সূত্রে জানা যায় সকালে স্যারের লেখাটি বইটি আমরা বসা থাকা অবস্থায় বিক্রি শেষ হয়ে যায়। ১০০০ বই আজ বিক্রি হয় । জীবন সায়াহ্নের শেষ প্রান্তে এই বই এতোটা সাড়া পাবেন- তাঁর ভাষায় “ আমি প্রস্তুত ছিলাম না”। একটি ভাল বই একজন মানুষকে কত উপরে নিয়ে যেতে পারে ৮৬ বছর বয়সী লেখক ড. ফয়জুর রহমান আল সিদ্দিক এর প্রমান। প্রচন্ড ভীড়ে যখন খুব ক্লান্ত হয়ে যান স্যারের সাথে যুবকটিকে দেখিয়ে দেন উত্তর দিতে। স্যারের পল্লবী বাসায় ভাড়া থাকেন এই যুবক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এতোটা সাড়া পাবেন কেউ ভাবেননি।
পরবর্তী বইয়ে নবাবগঞ্জের কিছু বিষয় তুলে নিয়ে আসবেন। শান্ত স্বভাব সহজ সরল মানুষটির দিকে বারবার তাকালাম কতটা জ্ঞান অর্জন করে ফেলেছেন। এমন একজন জ্ঞানী মানুষের সান্নিধ্য পাওয়া কৃতজ্ঞতা শেষ করতে পারলাম না। জন্মভূমি নবাবগঞ্জের কথা আবার স্মরন করাতে : একদিন বাসায় এসো, অনেক কথা বলা যাবে”। আসবো বলে বিদায় নিয়ে চলে এলাম। আল্লাহর নিকট দোয়া চাইলাম এই মানুষটিকে সুস্থ্যতা দান করুন- তাঁর জ্ঞানের আলো বিলিয়ে দেওয়ার সবে মাত্র শুরু হয়েছে-দেওয়ার আছে আরো অনেক কিছু। তাঁর জ্ঞানের আলো পাল্টে যেতে পুরো সমাজ ব্যবস্থা।
স্যার আমাদের সমাজ ব্যবস্থার একটি দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করেছেন।




রানা ভূঁইয়া- ব্যাংক কর্মকর্তা ও দপ্তর সম্পাদক save the society & thunderstorm awareness forum

প্রবীণ পরমাণু বিজ্ঞানী ফয়জুর রহমানের সাথে ” save the society & thunderstorm awareness forum এর দুজন প্রতিনিধির সাক্ষাৎ

Image may contain: 3 people, people sitting and indoor


পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ফয়জুর রহমানের সাথে সেভ দ্য সোসাইটি দু'জন প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ২০ বছর ধরে অমর একুশে বইমেলায় হেঁটে হেঁটে নিজের বই ফেরি করে বিক্রি করা ৮৬ বছর বয়সী লেখক ড. ফয়জুর রহমান আল সিদ্দিকীর সঙ্গে সেভ দ্য সোসাইটি এন্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের দুজন প্রতিনিধি সাংবাদিক রাশিম মোল্লা ও রানা ভূঁইয়া সাক্ষাৎ করেছে। শুক্রবার বইমেলার বাংলা প্রকাশ প্যাভিলনে সাক্ষাৎ করেন। প্রবীণ এই পরমাণু বিজ্ঞানী ফয়জুর রহমানের জন্মস্থান ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার চূড়াইন গ্রামে। নবাবগঞ্জের পরিচয় দেওয়ায় বেশ আগ্রহ সহকারে শত ব্যস্তার মাঝে আমাদের দুজনের সাথে কথা বলেন। সেভ দ্য সোসাইটি এন্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের কর্মপরিকল্পনা জনাব ফয়জুর রহমানকে জানানো হয়। তিনি আমাদের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য সেভ দ্য সোসাইটি এন্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের পক্ষ থেকে যুব সমাজকে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য লাইব্রেরী স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ বিষয়ে সমাজের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহব্বান জানানো হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে তিনি নবাবগঞ্জে সচেতনতামূলক একটি প্রোগ্রামে উপস্থিত থাকার সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। প্রসংক্রমে তাঁর লেখা পরবর্তী বইয়ে জন্মভূমি নবাবগঞ্জের স্মৃতিচারণ তুলে ধরবেন বলে জানান। আজ সকাল থেকেই বাংলা প্রকাশ প্যাভিলিয়নে উপচে পড়া ভিড় ছিল। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রবীণ পরমাণু বিজ্ঞানী ফয়জুর রহমানের সামাহিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া “বাঙালির সাফল্য ও ব্যর্থতা” বইটির ১০০০ কপি বিক্রি হয়েছে। সন্ধ্যার পর বইটি স্টকে না থাকায় অনেক পাঠককে ফিরে যেতে হয়েছে। তিনি নিজে প্রতিটি বইয়ে অটোগ্রাফ দিয়ে পাঠকের হাতে তুলে দেন। এর আগে তিনি গত ২০ বছর ধরে বইটি ফটোকপি করে বিক্রি করতেন মেলায়। বইটি ফটোকপি করতে যে খরচ হতো, শুধু সেই টাকা নিয়ে বইটি বিক্রি করছিলেন। 


 

                            বাংলা প্রকাশ প্যাভিলিয়েন এ উপচে পড়া ভীড়।




হেঁটে হেঁটে বই ফেরি করার বিষয়ে ড. ফয়জুর রহমান আল সিদ্দিক বলেন, ‘২০ বছর আগে প্রথম প্রকাশের পর বইটি নিয়ে আর কেউ আগ্রহ প্রকাশ করেনি। কেউ প্রকাশ না করলেও ফটোকপি করে আমি নিজেই বইট পাঠকের হাতে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি।’ এ নিয়ে গত কয়েকদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার হয়েছে। এবার সেই বইটি প্রকাশের বিষয়ে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন নগদ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুক। “বাঙালির সাফল্য ও ব্যর্থতা” বইটি বইমেলার বাংলা প্রকাশ স্টলে পাওয়া যাচ্ছে। ড. ফয়জুর রহমান জানান, ২০০০ সালে পরমা পাবলিকেশন থেকে তার ৫০০ কপি বই বিক্রি হয়। এরপরে প্রকাশক সেই বইটির আর কোনো সংস্করণ প্রকাশ করেননি। তিনি বলেন, কোনো প্রকাশনার সংস্থা খুঁজে না পেয়ে আমি প্রতিবছর ফটোকপি মেশিন ব্যবহার করে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ কপি বই ব্যক্তিগতভাবে ছাপিয়ে বইমেলায় বিক্রি করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে স্নাতক শেষ করেন তিনি। যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি করেন। রানা ভূঁইয়া দপ্তর সম্পাদক, সেভ দ্য সোসাইটি এন্ড থান্ডার স্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের

Thursday, February 20, 2020

মাতৃভাষা দিবসের আয়োজন

মাতৃভাষা দিবসের আয়োজন
একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির চির প্রেরণা ও অবিস্মরণীয় একটি দিন। এটি শুধু বাংলাদেশে নয়, এখন এটি সারাবিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। জাতির জীবনে শোকাবহ, গৌরবোজ্জ্বল, অহঙ্কারে মহিমান্বিত এ দিনটিতে সরকারি ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোতে থাকে বিশেষ আয়োজন—
প্রামাণ্যচিত্র ‘ভাষাজয়িতা’
আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে নারীর ভূমিকার কথা তেমনভাবে বলা হয় না। বলা হয়নি ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত নারীদের কথাও। প্রামাণ্যচিত্র ‘ভাষাজয়িতা’য় চেষ্টা করা হয়েছে ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী নারীদের ইতিহাস তুলে ধরার। দীপ্ত টিভিতে আজ সকাল ১০টায় প্রচার হবে প্রামাণ্যচিত্র ‘ভাষাজয়িতা’। এটির গবেষণা, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন শবনম ফেরদৌসী। চিত্রনাট্য ও পরিচালনা তত্ত্বাবধানে ছিলেন মানজার হাসিন।

নাটক ‘রাত জাগানিয়া’
চ্যানেল আইয়ে আজ সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে প্রচার হবে নাটক ‘রাত জাগানিয়া’। পান্থ শাহরিয়ারের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম। এ নাটকটিতে দেখা যাবে শহীদুজ্জামান সেলিমসহ অনেককে।

অনুষ্ঠান ‘একুশের গল্প’
দুরন্ত টেলিভিশনে আজ বিকেল ৫টায় প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘একুশের গল্প’। অনুষ্ঠানটির পাণ্ডুলিপি রচনা ও পরিচালনা করেছেন মনিরুল হোসেন শিপন। অনুষ্ঠানটিতে শিশুদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে উপস্থিত থাকেন ভাষা সৈনিক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক কামাল লোহানী। তিনি আগ্রহ নিয়ে তাদের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের গল্প শোনান।

আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘একুশের জন্য’
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা এবং মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে বিশেষ আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘একুশের জন্য’ বাংলাভিশনে প্রচারিত হবে আজ সন্ধ্যা ৬টা ০৫ মিনিটে।
অনুষ্ঠানে একুশের কবিতা আবৃত্তি করেছেন শিমুল মুস্তাফা, আহকাম উল্লাহ, শারমিন লাকি, নাজনীন নাজ, মেহেদী হাসান, স্রোত প্রমুখ।

নাটক ‘ঝুটুম পাখির কথা’
দুরন্ত টেলিভিশনে আজ রাত ৮টায় প্রচারিত হবে নাটক ‘ঝুমুর পাখির কথা’। নাটকটি রচনা করেছেন নূর সিদ্দিকী ও পরিচালনা করেছেন মনিরুল হোসেন শিপন। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সৈয়দ হাসান ইমাম, সাবিহা জামান, জিতু আহসান, সুষমা সরকার ও শিশুশিল্পী মুগ্ধতা মোরশেদ ঋদ্ধি।

নাটক ‘ভুল গল্প’
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা এবং মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে বিশেষ নাটক ‘ভুল গল্প’ বাংলাভিশনে প্রচারিত হবে আজ রাত ৯টা ০৫ মিনিটে। সারওয়ার রেজা জিমির রচনা ও তুহিন হোসেনের পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো, মেহজাবীন, এ কে আজাদ সেতু, নিকুল কুমার মণ্ডল প্রমুখ।

নাটক ‘চশমা’
নাগরিক টিভিতে আজ রাত ১০টা ৩০ মিনিটে প্রচার হবে নাটক ‘চশমা’। নাটকটির নাট্য বিন্যাস করেছেন মোবারক হোসেন ও পরিচালনায় ছিলেন আশরাফী মিঠু। এতে অভিনয় করেছেন শশী, রওনক হাসানসহ অনেকে।

নাটক ‘ভাষা’
বাংলাদেশ টেলিভিশনে আজ রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রচার হবে নাটক ‘ভাষা’। সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম রচিত নাটকটি পরিচালনা করেছেন শাহ জামান। নাটকে অভিনয় করেছেন সৈয়দ হাসান ইমাম, হাফিজু রহমান সূরুজ, মনির আহমেদ শাকিল, আহসান হাবিব নাসিম, দোলন দে, নিথর মাহবুব, তাহমিনা সুলতানা মৌ শানারাই দেবী শানু, সূচনা শিকদার, তপন, শিশুশিল্পী তুর্যসহ অনেকে।

টেলিফিল্ম ‘আ মরি বাংলা ভাষা’
চ্যানেল আইতে আজ বিকেল ৩টা ০৫ মিনিটে প্রচার হবে বিশেষ টেলিফিল্ম ‘আ মরি বাংলা ভাষা’। টেলিফিল্মটি রচনা করেছেন রাজীব আহমেদ ও পরিচালনা করেছেন সকাল আহমেদ। টেলিফিল্মটিতে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা, সারোয়াত্ বৃষ্টি, মাসুম বাশার, হিন্দোল রায় প্রমুখ।

বসন্তবরণ-ফারহানা হোসেন












             বসন্তবরণ



 



যদি আমার রঙে তোমার হৃদে ঝড় ওঠে
কৃষ্ণচূড়া উঠবে গেয়ে লাল ঠোঁটে,
কালো কেকার মনটা নয়তো একটু কালো
বলেই ফেলো ভালোবাসি, একটু বলো!

যদি এই বসন্তে পলাশ দোলে ছাদের ধারে
জেনো, তোমার জন্য ডাকছে কুহু অদূর পারে,
তোমার হলুদ আমার নীলে সবুজ হলে
তোমার আমার একটি ছায়া নদীর জলে।

কোকিল থেকে রং গুলিয়ে চোখ আঁকি
সেই চোখ ইশারায় বসন্ত রে আজ ডাকি,
হলুদ দিয়ে বরণ করে ফাগুন মুখ
সবার ঘরে পলাশ হয়ে আসুক সুখ।
farhana.hossain@grameenphone.com

সূত্রঃ  প্রথম আলো।

খরস্রোতা

খরস্রোতা

Graphic
যে-ভাষা দিয়েছে লেখা, তাকে যদি ভুলে যেতে বলো,
উত্তরে, হ্যাঁ, সে-ভাষাই জানাবে যে রাজি নয় মন
আমার অক্ষরবোধে রোদ জাগে, নুয়ে আসে জলও...
কী করে বা ভুলে যাব, এ-ভাষায় ছিলেন লালন!

তারই তো সময় বইছে এ-ভাষার শিরায় শিরায়
যে-শিরাকে নদী ভেবে ভেসে যেতে চেয়েছি আমিও
নৌকা ছোট হতে পারে, কিন্তু তা ফিরেছে বাংলায়
এ-বাতাসে শ্বাস টানব, এইটুকু অধিকার দিও!

আমারই শব্দের ডাকে ছুটে আসবে কাঠবেড়ালি, দেখো,
সে আমারই বর্ণমালা, যাকে দেখে জেগেছে হরিণ...
প্রতিবাদ যত থাক, পাশে আছে প্রেমের উল্লেখও
এ-বাংলার ঘুম ছাড়া ভাঙে না আমার কোনও দিন।

যে-ভাষা দিয়েছে স্বপ্ন, তাকে যদি ভেঙে দিতে বলো
উত্তরে, হ্যাঁ, সে ভাষাই বোঝাবে সে অরাজি কতটা।
দেখেছ কেবল চোখে, তাই ভাবছ জল ছলোছলো।
কান্না যদি খুলে দিই, সে নিমেষে হবে খরস্রোতা!

তখন কোথায় ভাসবে তোমার এই রাজসিংহাসন?
কখনও ভুলো না যেন, এ-ভাষায় ছিলেন লালন!


  • Srijato
  • শ্রীজাত

অলঙ্করণ: তিয়াশা দাস


সূত্রঃ আন্দ বাজার

Wednesday, February 19, 2020

বইমেলায় কিশোর উপন্যাস ‘হাউজ টিউটর’

অনলাইন ডেস্ক

বইমেলায় কিশোর উপন্যাস ‘হাউজ টিউটর’
বই ‘হাউজ টিউটর’
অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছে মাজেদুল নয়নের ‘হাউজ টিউটর’। ভ্রমণকাহিনীর পাশাপাশি এবারই প্রথম উপন্যাস নিয়ে এলেন তিনি। বইটি প্রকাশ করেছে, পুথিনিলয় প্রকাশনী। প্রচ্ছদ করেছেন, চারু পিন্টু।
এই শহরের গৃহশিক্ষকদের ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা থেকে লেখা হাউজ টিউটর। এই গৃহশিক্ষক চরিত্রের সঙ্গে সমাজের আরও অনেকগুলো চরিত্রও তাদের মুখোশ উন্মোচন করে এগিয়ে এসেছে এই উপন্যাসে।
কিশোরদের উপন্যাস মানেই গোয়েন্দা উপন্যাস বা থ্রিলার, এমন ধারনা থেকে উপন্যাসটি আলাদা। কিশোররা যে বয়সটার প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে, সেই বয়সগুলোই উপন্যাসে বিস্তৃতি লাভ করেছে। লেখার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখা হয়েছে, পাঠক যেন সহজে পড়তে পারেন। পাঠককে খুব বেশি ভাবনায় রাখা হয়নি। একেবারেই সহজ পাঠ। এই শহরের নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্ন উচ্চবিত্ত বা মধ্য উচ্চবিত্ত অথবা উচ্চবিত্ত, এই ধরনের অর্থনীতিকে ছুঁয়েছে। চরিত্রগুলো নিজেদের সঙ্গে নিজেরা দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়েছে। অপ্রত্যাশিত হিসেবে নিজেরাই নিজেদের তৈরি করেছেন এবং খুঁজে পেয়েছেন।
বইমেলার ২ নং প্যাভিলিয়নে পুথিনিলয় প্রকাশনীতে বইটি পাওয়া যাবে ২৫ শতাংশ ছাড়ে ১০৫ টাকায়। আগের দুটি ভ্রমণ কাহিনী, সিংহ শহরের দিনরাত এবং উইথ আউট বর্ডারও পাওয়া যাচ্ছে পুথিনিলয় প্রকাশনীতে।
বিডি-প্রতিদিন/শফিক

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০: স্টলে স্টলে ঘুরে বই কিনছেন পাঠক

বই মেলা
অমর একুশে গ্রন্থমেলার ১৮তম দিন অতিবাহিত হল। এখন যারা মেলায় আসছেন তাদের প্রায় সবাই ক্রেতা। বই কিনবেন এমন মনোভাব নিয়েই তারা মেলায় আসছেন, বইও কিনছেন। অনেকে লিস্ট ধরে ধরেও বই কিনছেন। ইতিমধ্যে ঢাকার বাইরের পাঠকও মেলা পেয়েছেন।
বুধবার বিকাল থেকেই পাঠক সমাগম শুরু হয়। সন্ধ্যার দিকে মেলায় প্রচুর পাঠক ছিল। তাদের বেশির ভাগেরই হাতেই ছিল বই। স্টলে স্টলে ঘুরে বই কিনতে দেখা গেছে পাঠকদের। মেলায় বই কিনতে এসেছিল মেডিকেলের একদল শিক্ষার্থী। বঙ্কিম, আহমদ ছফা থেকে শুরু করে হুমায়ূন আহমেদ, হেলাল হাফিজসহ তরুণ লেখকদেরও বই ছিল তাদের কেনার তালিকায়।
মেলামঞ্চে আলোচনা : গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে জালাল ফিরোজের ‘বঙ্গবন্ধু গণপরিষদ সংবিধান’ শীর্ষক বইয়ের আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মুজতবা আহমেদ মুরশেদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ডালেম চন্দ্র বর্মণ, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও সাব্বীর আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।
প্রাবন্ধিক বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছেন- ‘শাসনতন্ত্রহীন জাতি নোঙরবিহীন নৌকার মতো।’ এ উপলব্ধি থেকেই যুদ্ধবিধ্বন্ত একটি নবীন রাষ্ট্রের জন্য একটি সংবিধান প্রণয়নে তিনি জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু বলেছেন, ‘রক্তের অক্ষরে এ সংবিধান রচিত।’ গণপরিষদ গঠন, এর বিন্যাস এবং সংবিধানের মূল রূপরেখার ওপর বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য এবং এ বিষয়ে সরকারদলীয় ও বিরোধী সদস্যদের বক্তব্য, মতামত, পরামর্শ, গণপরিষদের সদস্যদের পর্যালোচনা, জনগণের অধিকার সংরক্ষণের নানা দিকসহ সবকিছু গ্রন্থটিতে রয়েছে।
আলোচকরা বলেন, সংবিধানে জাতির পিতার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশের জনগণের চাওয়া-পাওয়া, জাতির জীবনে প্রতিটি সংগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্য প্রস্ফুটিত হয়েছে। স্বল্প সময়ে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞজনদের আন্তরিক তৎপরতা, সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী ও গতিশীল নেতৃত্বে একটি সদ্য স্বাধীন দেশে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন পৃথিবীর ইতিহাসে একটি অনন্য সাধারণ ঘটনা।
গ্রন্থের লেখক জালাল ফিরোজ বলেন, বঙ্গবন্ধু বিষয়ক এ গ্রন্থে কিছু অনালোচিত বিষয়ে আলোকপাত এবং নতুন তথ্য উদ্ঘাটনের প্রয়াস পেয়েছি। পাঠক বইটি থেকে বঙ্গবন্ধুর শাসনতান্ত্রিক ভাবনার পরিচয় পাবেন বলে আশা করি।
সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, লেখক যথেষ্ট পরিশ্রম করে গবেষণামূলক দৃষ্টিতে গ্রন্থটি রচনা করেছেন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন জনগণের বন্ধু। তার দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশের সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে- রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের। এ কারণে বাংলাদেশের সংবিধানে মেহনতি মানুষের কথা, সংগ্রামী মানুষের কথা বিবৃত হয়েছে, যা সমকালীন পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।
ছড়া পাঠ : ছড়া পাঠের আসরে ছড়াকার আসলাম সানী, আলম তালুকদার, লুৎফর রহমান রিটন, আমীরুল ইসলাম, আনজীর লিটন, রহীম শাহ, ফারুক হোসেন ছড়া পাঠ করেন।
বুধবার ছিল হাসান আবদুল্লাহর পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ঘাসফুল শিশুকিশোর সংগঠন’র পরিবেশনা। সঙ্গীত পরিবেশন করেন খায়রুল আনাম শাকিল, শাহীন সামাদ, ইয়াসমিন মুশতারী, বর্ণালী সরকার, উত্তম কুমার রায়, তালুকদার জান্নাত হোসেন, ফারহানা শিরিন।
লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন নাসরীন জাহান, ফারুক মঈনউদ্দীন, মামুন খান এবং øিগ্ধা বাউল।
নতুন বই : বুধবার মেলায় নতুন বই এসেছে ১১৬টি। এরমধ্যে বাংলা একাডেমি এনেছে জালাল ফিরোজের ‘বঙ্গবন্ধু গণপরিষদ সংবিধান’, সাতভাই চম্পা প্রকাশনী এনেছে আমিনুর রহমান সুলতানের ‘লোকগানের জনকের মুখ’, ‘আহমদ ছফার সেরা উপন্যাস’ এনেছে বাঁধন পাবলিশার্স, অ্যাডর্ন পাবলিশার্স এনেছে শহীদুল্লাহ ফরায়জীর কাব্যগ্রন্থ ‘ঐশ্বরিক অক্ষর’, কথা প্রকাশ থেকে বের হয়েছে আফসান চৌধুরী সম্পাদিত ‘১৯৭১ : গণনির্যাতন-গণহত্যা, কাঠামো, বিবরণ ও পরিসর’ এবং ওবায়েদ আকাশের কাব্যগ্রন্থ ‘পৃষ্ঠাজুড়ে সুলতানপুর’ প্রকাশ করেছে অরিত্র প্রকাশনী।
রাত্রি প্রকাশনী এনেছে আনোয়ারা সৈয়দ হকের ‘বঙ্গবন্ধুর গল্প’, অনুপম প্রকাশনী এনেছে ‘সৌমেন সাহার ‘কোয়ান্টাম মেশিন’, অনন্যা এনেছে সুভাষ সিংহ রায়ের ‘জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’, মোস্তফা কামালের ‘স্বপ্নবাজ’, রকিব হাসানের ‘ইনকা দেবতার গুপ্তধন’, কথা প্রকাশ এনেছে মুনতাসীর মামুন সম্পাদিত ‘ইতিহাস পাঠ ১ ও ২’, চারুলিপি প্রকাশনী এনেছে নির্মলেন্দু গুণের ‘কিশোর সমগ্র’ প্রভৃতি। বাঙ্গালা গবেষণা এনেছে দিলরুবা জলিল শাহিনের ‘একাত্তরের কিশোরী সূর্যসারথি’।
বইমেলায় শরাফত আলীর তিন বই : বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে শরাফত আলীর তিনটি বই। লেখালেখির জগতে অতিরিক্ত সচিব শরাফত আলী এসেছেন কয়েক বছর আগে। বর্ষাদুপুরের স্টলে পাওয়া যাচ্ছে তার লেখা তিনটি বই ‘মান্না দে : শিল্পীর চেয়েও যিনি বড় মানুষ’, ‘সংকলন ১’ ও ‘কবিতা ২৫’।

যুগান্তর

Sunday, February 16, 2020

বই মেলায় নতুন যত বই-


  • রাহিতুল ইসলামের ‘চরের মাস্টার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার’  
  • রাহিতুল ইসলামের ‘চরের মাস্টার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার
  •  
  • বইমেলায় মোহিত কামালের দুই বই  
  • বইমেলায় মোহিত কামালের দুই বই
  • বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে সানোয়ার রাসেলের ‘অন্ধ মুসাফির’  
  • বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে সানোয়ার রাসেলের ‘অন্ধ মুসাফির’
  • বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে মাহতাব হোসেনের 'নগরে সমুদ্র'  
  • বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে মাহতাব হোসেনের 'নগরে সমুদ্র'
  •  
  • বইমেলায় উদয় হাকিমের ‘রহস্যময় আদম পাহাড়’  
  • বইমেলায় উদয় হাকিমের ‘রহস্যময় আদম পাহাড়’

Thursday, February 13, 2020

আন্তর্জাতিক ছাপচিত্র মেলা-২০২০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলায় শুরু হয়েছে নবম কিবরিয়া আন্তর্জাতিক ছাপচিত্র মেলা-২০২০। ছবিগুলো তুলেছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফটোসাংবাদিক মো. সোহেল রেজা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলায় শুরু হয়েছে নবম কিবরিয়া আন্তর্জাতিক ছাপচিত্র মেলা-২০২০। ছবিগুলো তুলেছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফটোসাংবাদিক মো. সোহেল রেজা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলায় শুরু হয়েছে নবম কিবরিয়া আন্তর্জাতিক ছাপচিত্র মেলা-২০২০। ছবিগুলো তুলেছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফটোসাংবাদিক মো. সোহেল রেজা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলায় শুরু হয়েছে নবম কিবরিয়া আন্তর্জাতিক ছাপচিত্র মেলা-২০২০। ছবিগুলো তুলেছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফটোসাংবাদিক মো. সোহেল রেজা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলায় শুরু হয়েছে নবম কিবরিয়া আন্তর্জাতিক ছাপচিত্র মেলা-২০২০। ছবিগুলো তুলেছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফটোসাংবাদিক মো. সোহেল রেজা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলায় শুরু হয়েছে নবম কিবরিয়া আন্তর্জাতিক ছাপচিত্র মেলা-২০২০। ছবিগুলো তুলেছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফটোসাংবাদিক মো. সোহেল রেজা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলায় শুরু হয়েছে নবম কিবরিয়া আন্তর্জাতিক ছাপচিত্র মেলা-২০২০। ছবিগুলো তুলেছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফটোসাংবাদিক মো. সোহেল রেজা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলায় শুরু হয়েছে নবম কিবরিয়া আন্তর্জাতিক ছাপচিত্র মেলা-২০২০। ছবিগুলো তুলেছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফটোসাংবাদিক মো. সোহেল রেজা।

আজ ফাগুনে বইমেলায় ভালোবাসার আমন্ত্রণ

আজ ফাগুনে বইমেলায় ভালোবাসার আমন্ত্রণ
চট্টগ্রাম :এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম চত্বরে অমর একুশে বইমেলায় গতকাল নৃত্য পরিবেশন করে জেলা শিল্পকলার শিল্পীরা —মোস্তাফিজুর রহমান
বসন্ত যেমন প্রেমের রং ছড়ায় তেমনি মানুষের মনে বিদ্রোহের আগুনও জ্বেলে দেয়! মলয় সমীরণ তো সেই ১৯৫২ সালেও ছড়িয়েছিল বিদ্রোহের বীজ। একুশে আজো মানুষের হূদয়ে ছড়ায় বিদ্রোহের মন্ত্র। সত্য, সুন্দরের পক্ষের সেই মন্ত্রের টানে বইমেলায় আসেন বৃদ্ধ, তরুণ, তরুণীরা। ছোটো শিশু-কিশোরদের নিয়ে মা-বাবা আসেন মেলায়।
সবারই প্রত্যাশা— একুশের চেতনায় ভাস্বর এ বইমেলা ভবিষ্যত্ প্রজন্মের মাঝে ছড়াবে শিক্ষা ও দেশের প্রতি ভালোবাসার আলো। আজ যেমন পয়লা ফাল্গুন আবার আজই বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বাংলা পঞ্জিকার পরিবর্তনের ফলে পয়লা ফাল্গুন ও ভ্যালেন্টাইন ডে দুটোই ১৪ ফেব্রুয়ারিতে। তার সঙ্গে আবার যুক্ত হয়েছে ছুটির দিন শুক্রবার।
ভালোবাসা আর বই যেন একই সূত্রে গাঁথা। প্রিয়জনকে যে কথা মুখে বলা যায় না, লেখক সে কথাই যেন বলে দেন প্রেমিকের হয়ে। সেজন্যই প্রেমিক মন খোঁজে বইয়ের আশ্রয়। প্রিয়জনের হাতে তুলে দেয় প্রেমের প্রিয় পংক্তিমালা। আজ ভালোবাসা দিবসে তাই বইমেলাই হয়ে উঠবে যেন প্রধান গন্তব্য। আজ বইমেলার দ্বার খুলে যাবে বেলা ১১টায়। বেলা ১টা পর্যন্ত আবার শিশুপ্রহর। মেলা চলবে টানা রাত ৯টা পর্যন্ত। অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী এবং জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম বললেন, বইমেলা হচ্ছে সংস্কৃতির অন্যতম উত্সব। আর পয়লা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসে আশা করছি মানুষের পদচারণায় মুখর হবে বইমেলা।’
নতুন বই :
বাংলা একাডেমির জনসংযোগ উপবিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল নতুন বই প্রকাশ হয়েছে ১৮০টি। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করেছে সুব্রত বড়ুয়ার বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বই ‘বঙ্গবন্ধুর জীবন কথা’, অনন্যা এনেছে আনিসুল হকের ‘কবিতা সমগ্র’, একই প্রকাশনী থেকে রকিব হাসানের গোয়েন্দা কাহিনি ‘শয়তানের বাঁশি’, অন্যধারা প্রকাশ করেছে হাবীবুল্লাহ সিরাজীর কবিতার বই ‘আমার একজনই বন্ধু’, আদর্শ এনেছে জাকির তালুকদারের উপন্যাস ‘হাঁটতে থাকা মানুষের দল’ প্রভৃতি।
মূলমঞ্চের আয়োজন :
বিকালে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় সুব্রত বড়ুয়া রচিত বঙ্গবন্ধুর জীবনকথা শীর্ষক আলোচনা। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুজন বড়ুয়া। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন লুত্ফর রহমান রিটন এবং মনি হায়দার। সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ করেন কবি মাহবুব সাদিক ও মাসুদ হাসান প্রমুখ।
আবৃত্তি পরিবেশন করেন মো. শাহাদাত্ হোসেন, অনিমেষ কর ও তামান্না সারোয়ার নীপা। নৃত্য পরিবেশন করেন সৌন্দর্য প্রিয়দর্শিনী ঝুম্পার পরিচালনায় নৃত্য সংগঠন ‘জলতরঙ্গ ডান্স কোম্পানী’র নৃত্যশিল্পীরা। সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী দীনাত জাহান মুন্নী, আঞ্জুমান আরা শিমুল, কাজী মুয়ীদ শাহরিয়ার সিরাজ জয়, মো. রেজওয়ানুল হক ও সঞ্জয় কুমার দাস। গতকাল লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী, মৌলি আজাদ, রাসেল আশেকী ও শোয়েব সর্বনাম।

বই মেলায় নতুন বইয়ের সুবাস

প্রকাশক পেলেন বই ফেরি করা সেই লেখক

প্রকাশক পেলেন বই ফেরি করা সেই লেখক
শেষ পর্যন্ত প্রকাশক খুঁজে পেয়েছেন ২০ বছর ধরে অমর একুশে বইমেলায় হেঁটে হেঁটে নিজের বই ফেরি করা ৮৬ বছর বয়সী লেখক ড. ফয়জুর রহমান আল সিদ্দিক।
প্রবীণ পরমাণু বিজ্ঞানী ফয়জুর রহমানের লেখা বইয়ের নাম ‘বাঙালির জয়, বাঙালির ব্যর্থতা’। বইটি ছাপানোর যে খরচ, তিনি শুধু সেই টাকা নিয়ে বইটি বিক্রি করছিলেন।
হেঁটে হেঁটে বই ফেরি করার বিষয়ে ড. ফয়জুর রহমান আল সিদ্দিক বলেন, ‘২০ বছর আগে প্রথম প্রকাশের পর বইটি নিয়ে আর কেউ আগ্রহ প্রকাশ করেনি। কেউ প্রকাশ না করলেও ফটোকপি করে বইটি নিজেই পাঠকের হাতে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি।’ এ নিয়ে গত কয়েকদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার হয়েছে। এবার সেই বইটি প্রকাশের বিষয়ে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন নগদ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুক।
সোমবার রাতে বনানীতে ড. ফয়জুর রহমানের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করে বইটি প্রকাশের অনুমতি নেন তিনি। পরে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বাংলা প্রকাশের সাথে তাকে পরিচয় করিয়ে দেন তানভীর আহমেদ। 
বাংলা প্রকাশ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শরিফুল আলম জানান, “বাঙালির সাফল্য ও ব্যর্থতা” বইটি আগামী সপ্তাহ থেকে বইমেলায় তাদের স্টলে পাওয়া যাবে।
ড. ফয়জুর রহমান জানান, ২০০০ সালে পরমা পাবলিকেশন থেকে তার ৫০০ কপি বই বিক্রি হয়। এরপরে প্রকাশক সেই বইটির আর কোনো সংস্করণ প্রকাশ করেননি।
তিনি বলেন, কোনো প্রকাশনার সংস্থা খুঁজে না পেয়ে আমি প্রতিবছর ফটোকপি মেশিন ব্যবহার করে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ কপি বই ব্যক্তিগতভাবে ছাপিয়ে বইমেলায় বিক্রি করেছি। 
১৯৩৪ সালে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন সিদ্দিক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে স্নাতক শেষ করেন তিনি। বইয়ের লেখক পরিচিতি থেকে যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি করেন বলে জানা যায়।
বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

হৃদরোগের সাতকাহন নিয়ে ডা. মাহবুবর রহমানের বই

হৃদরোগের সাতকাহন নিয়ে ডা. মাহবুবর রহমানের বই
ডা. মাহবুবর রহমান বাংলাদেশের ইনভেসিভ কার্ডিওলজির একটি পরিচিত নাম। মরণব্যাধি হার্ট অ্যাটাক হলো সবচেয়ে ভয়াবহ রোগ। এই রোগের সবচেয়ে কার্যকর, সফল ও আধুনিক চিকিৎসা হলো জরুরি অ্যানজিওপ্লাস্টি বা হার্টের ধমনীতে রিং স্থাপন। ডা. মাহবুবর রহমান দেশের জরুরি এনজিওপ্লাস্টির অন্যতম দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য চিকিৎসক।
মহান একুশে বইমেলায় বেরিয়েছে ডা. মাহবুবর রহমানের লেখা স্বাস্থ্যবিষয়ক গ্রন্থ ‘হৃদপিণ্ডে হৃদরোগ’। বর্তমানে রাজধানীর ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালের কার্ডিওলজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. মাহবুবর রহমান। ‘হৃদপিণ্ডে হৃদরোগ’ বইতে তিনি হৃদপিণ্ডের ব্লক, হৃদপিণ্ড ও ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও এটি নিয়ন্ত্রণে ওষুধ গ্রহণের নিয়ম, হৃদরোগীদের স্বাস্থ্য সমস্যা, বুকে ব্যথা ও অ্যানজিওগ্রাম নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন। এছাড়া হার্ট অ্যাটাকের আধুনিক চিকিৎসা, রক্তে কোলেস্টেরেল, হার্টব্লকের চিকিৎসায় রিংয়ের ব্যবহার, কার্ডিওমায়োপ্যাথি, মাতৃত্বকালীন কার্ডিওমায়োপ্যাথি, বাতজ্বর নিয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বইতে। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই যে উত্তম লেখক- এ বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তার বইয়ে।
দাঁড়কাক প্রকাশিত স্বাস্থ্যবিষয়ক গ্রন্থ ‘হৃদপিণ্ডে হৃদরোগ’ পাওয়া যাবে মহান একুশে বইমেলায় জ্ঞানকোষে- স্টল ৪৫১, দাঁড়কাকের লিটলম্যাগ স্টল নং ৭৪-এ। বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

শিশু-কিশোরদের জন্য ‘বিপিএল’র ছয়টি মানসম্মত বই

বই: বুড়ি ধাইমার কাপড় সেলাই, মূল: ভার্জিনিয়া উলফ, ভাবানুবাদ: মাজহার সরকার, চিত্রায়ণ: উজ্জ্বল কুমার সরকার, প্রকাশক: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর পাবলিশিং লিমিটেড (বিপিএল), স্টল: ৫৮৮-৫৮৯, মূল্য: ১৭০ টাকা
এক ছিলো বুড়ি ধাইমা, তার নাম নার্স লুঙটন। একদিন সে নীল ও সাদা রঙের সুতির কাপড় সেলাই করছিলো, সুঁই দিয়ে জানালার পর্দার সে কাপড়ের গায়ে ফুটিয়ে তুলছিলো নানা জীবজন্তুর ছবি।
সেলাই করতে করতে বুড়ি চেয়ারের মধ্যেই ঘুমিয়ে গেলো। তারপরই শুরু হলো জাদুকরি কাণ্ড...। ‘নার্স লুঙটন’স কার্টন’ শিরোনামে মূল বইটির লেখক ভার্জিনিয়া উলফ (১৮৮২-১৯৪১)।
বই: হলদে কুটুম পাখি আর লাল গুবরেপোকা, লেখক: আনন্দময়ী মজুমদার, চিত্রায়ণ: শামিউর রহমান নয়ন, প্রকাশক: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর পাবলিশিং লিমিটেড (বিপিএল), স্টল: ৫৮৮-৫৮৯, মূল্য: ১৭০ টাকা
ঝকঝক করছে শরতের নীল আকাশ। দূর দিগন্তের দিকে ভেসে চলেছে দুই-তিনটা সাদা মেঘের ভেলা। মনের খুশিতে এক পাক নেচে নিল হলদে কুটুম পাখি। ভাবলো, এখন ওর বন্ধু গুবরেপোকার সঙ্গে বনের আঙিনায় খেলবে।
খেলতে গিয়েই হলো দুর্ঘটনা। গুবরেপোকা পায়ে খুব ব্যথা পেলো। বন্ধুকে চিকিৎসা করিয়ে সারিয়ে তোলার জন্য মরিয়া হয়ে গেলো হলদে কুটুম পাখি। সে কি পারবে বন্ধুকে সারিয়ে তুলতে! তাহলে কিভাবে! জানলে হলে পড়তে হবে বই ‘হলদে কুটুম পাখি আর লাল গুবরেপোকা’।
বই: টিকুর আবিষ্কার, লেখক: ফারজানা তান্নী, চিত্রায়ণ: উজ্জ্বল কুমার মজুমদার, প্রকাশক: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর পাবলিশিং লিমিটেড (বিপিএল), স্টল: ৫৮৮-৫৮৯, মূল্য: ১৭০ টাকা
টিকুরা প্রতিদিনই আবিষ্কার করে, বয়সটাই যে আবিষ্কার করার। টিকুর বয়সী সব শিশুর জন্য এ বই। ঘরে বসে থাকলে কি আর দুনিয়া দেখা যায়? যায় না। ঠিক ঘরের বাইরে আশপাশেই ঘটে চলেছে কত অদ্ভুত ঘটনা! সেগুলো নিজ চোখে না দেখলে কেমন করে হবে? আর এজন্যই টিকু বেরিয়ে পড়ে বাইরে। কিন্তু বাইরে বেরিয়ে কী আবিষ্কার করে সে? জানতে হলে পড়তে হবে ‘টিকুর আবিষ্কার’।

Wednesday, February 12, 2020

বইমেলায় চাণক্য বাড়ৈর উপন্যাস ‘জলমানুষ’


বইমেলায় চাণক্য বাড়ৈর উপন্যাস ‘জলমানুষ’
ছবি: ইত্তেফাক
অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে চাণক্য বাড়ৈর উপন্যাস ‘জলমানুষ’। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছে ভাষাচিত্র প্রকাশনী থেকে। মানুষের দ্বন্দ্ব-সংঘাত, প্রেম-প্রণয় আর করুণ পরিণতির কাহিনী এই উপন্যাসে ফুটে উঠেছে।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন। রহস্যঘেরা অনিন্দ্যসুন্দর এই নদী-জঙ্গলের মূর্তিমান আতঙ্ক রুস্তম বাহিনীর দস্যুদল। সরকার তাদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানালে বাহিনীর সর্দার এই প্রস্তাবে রাজি হয়। জটিলতার শুরু এখান থেকেই। কারণ, জলদস্যুদের একটা বড় অংশ আত্মসমর্পণের বদলে বিদ্রোহ করে বসে। এর সূত্র ধরে গহীন সুন্দরবনে ছড়িয়ে পড়ে অসংখ্য ছোট ছোট দল। বনে-জঙ্গলে লাগামছাড়া দস্যুবৃত্তি চালায় তারা। বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বনের স্বাভাবিক পরিবেশ।
পশুর নদীর তীর ঘেঁষা বানিয়াশান্তা পতিতাপল্লির বাসিন্দা ফুলমতি। তার কাছে দস্যুসর্দার রুস্তমের নিয়মিত যাতায়াত। রুস্তমের ইচ্ছা, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে ফুলমতিকে বিয়ে করে সংসার পাতবে সে। কিন্তু ফুলমতি জানে, এটা কখনও সত্যি হওয়ার নয়।

তাহের বাহিনীর তরুণতম সদস্য তামজিদ। রুস্তমকে খুন করে সে ‘বাঘা তামজিদ’ হয়ে যায়। বেশ কয়েকটা অপারেশনে সাহস আর বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে সর্দার তাহের আর অন্যদের নজরে আসে সে। কিন্তু দুর্ধর্ষ এক দস্যুর আড়ালে লুকিয়ে থাকা তার বিরহী হৃদয় ধিকি ধিকি পুড়তে থাকে দিন-রাত, অতি গোপনে। দূর গ্রামে তার পথ চেয়ে বসে থাকে প্রণয়িনী তন্দুরী।
এদিকে তাহেরের স্ত্রী আফসানা একমাত্র সন্তান নাবিলকে হারিয়ে প্রমাদ গোনে। নিয়তির অমোঘ নিয়মে তার আশ্রয় হয় বানিয়াশান্তার নিষিদ্ধপল্লিতে। একসময় মৃত্যুই তাকে টেনে নেয় কোলে। ভুল বোঝাবুঝির সূত্র ধরে তাহেরকেও গুলি করে মারে তার বন্ধু খালেদ।
এইসব করুণ পরিণতির কাহিনী নিয়ে উপন্যাসের গল্পটি এগিয়েছে।
বইটির প্রচ্ছদ করেছেন পার্থপ্রতীম দাস। এটি বইমেলায় ১৬৭-১৬৮-১৬৯-১৭০ স্টলে পাওয়া যাচ্ছে।
 আরো পড়ুন: বইমেলায় খায়রুলের ‘ঘোড়ার ডিমের ছাই’


ইত্তেফাক/এমএএম/এএএম

মেজর (অব,) সুধীর সাহা-একজন কৃতিমান পুরুষের প্রতিচ্ছবি ।





অমর একুশ এবারের বই মেলায় লেখক গবেষক মেজর (অব.) সুধীর সাহার প্রবন্ধ ও গবেষণামূলক মোট ০৬টি বই বের হয়েছে।   লেখক গবেষকের জন্মস্থান ঢাকা  জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া গ্রামে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এলএলবি সম্মান ও এলএলএম শেষ করে আইন পেশায় কর্মজীবন শুরু করেন। অতঃপর কমিশন অফিসার হিসাবে যোগ দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জজ অ্যাডভোকেট জেনারেল ডিপার্টমেন্ট। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহন করে কানাডায় চলে যান। একজন ইম্রিগেন্ট বিশেষজ্ঞ হিসাবেও সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হন। তাঁর নিজের প্রতিষ্ঠান আইএলসিবি বেশ সুনাম অর্জন করেছে।
প্রবাসে বসবাস করলেও কৃতিমান পুরুষ যখনি সময় পান চলে আসেন মাতৃভূমিতে। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন নিয়মিতভাবে। বিশেষ করে প্রতিবছর একুশের বই মেলাতে সামনে রেখে চলে আসেন প্রিয় বাংলা একাডেমীর প্রাঙ্গণ।


 মেজর (অব.) সুধীর সাহা কানাডা এবং বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য  প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের নামগুলো হলোঃ



 সদস্য                                      
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, বাংলাদেশ।
আজীবন সদস্য                      
- বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ।
আজীবন সদস্য                       -
এশিয়াটিক সোসাইটিক অব বাংলাদেশে।
চেয়্যারম্যান                             -
কল্যাণী ফাউন্ডডেশন, বাংলাদেশ।
সভাপতি                                  -
ইছামতি বাঁচাও আন্দোলন, বাংলাদেশ।

সদ্স্য
ইম্রগ্রেশন অব কানাডা রেগুলেটরি কমিটি, কানাডা
সদস্
কানাডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন                            ইমিগ্রেশন  কানাডা। 
আন্তর্জাতিক মার্কেটিং এজেন্ট                 
সেন্ট কিটস্ এন্ড নেভিস, সেন্ট লুসা,এন্টিগুয়া এগু বারবুদা,গ্রেনাডা।
                                                        



মেজর সুধীর লেখালেখি নিয়েও ব্যস্ত থাকে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য দৈনিক পত্রিকা তার লেখা অনেকটাই রাজনীতি এবং সমাজ সচেতনমূলক প্রবন্ধ। জীবনধর্মী বাস্তব সামাজিক সমস্যা প্রায়ই তাঁর লেখা ফুটে উঠে। শুধু পত্রিকার লেখাই সীমাবদ্ধ নন সুধীর সাহা। তাঁর উল্লেখযোগ্য ১৭টি বই প্রকাশিত হয়েছে। সেই ১৯৯১ সালে তাঁর প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা একাডেমি থেকে। তারপর একে একে ১৬টি বই প্রকাশিত হয়। বইগুলোর নাম, বিবরণ এবং প্রকাশক ও প্রকাশের তারিখ উল্লেখ করা হলোঃ



     বইয়ের   নাম
  বিবরণ        
প্রকাশক   প্রকাশের সময়কাল
১। 
মাদক সমাজ আইন   
প্রবন্ধ           
বাংলা একাডেমি (১৯৯১)     
২।
বিপন্ন ভালবাসা              
প্রবন্ধ              
অমিয় ধারা (২০১৬) ২য় সংস্করণ।
৩।
ঠিকানা   
নাটক            
অমিয় ধারা (২০১৬) ২য় সংস্করণ
৪।
একটি জীবন ও আমরা         
 ছোট গল্প        
অমিয় ধারা ২০১৬) ২য় সংস্করণ
৫।
নির্বাচিত কলাম
প্রবন্ধ    
অমিয় ধারা (২০১৬) ২য় সংস্করণ
৬।
 এলোমেলা চিন্ত-ভাবনা         
প্রবন্ধ              
অমিয় ধারা (২০১৬) ২য় সংস্করণ।
৭।
 নির্বাচিত কলাম   দ্বিতীয়  খন্ড   
প্রবন্ধ              
অমিয় ধারা (২০১৬) ২য় সংস্করণ
৮।
 বাংলাদেশ, এগিয়ে যাওয়ার   এখনি সময়
প্রবন্ধ                                                        
অমিয় ধারা   (২০১৭) 
৯।
  নির্বাচিত কলাম   তৃতীয় খন্ড    
প্রবন্ধ            
অমিয় ধারা (২০১৭)
১০।
আবাসযোগ্য পৃথিবী কত  দূরে
প্রবন্ধ             
অমিয় ধারা (২০১৯)
১১।
 রাজনীতি এবং  
প্রবন্ধ             
অমিয় ধারা (২০১৯)
১২।
 চেতনাই বাঁচিয়ে রাখবে বাঙ্গালী
সংস্কৃতি 
প্রবন্ধ             
অমিয় ধারা (২০২০)
১৩।
শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধ       
প্রবন্ধ              
অমিয় ধারা (২০২০)
১৪।
  World History of Civilization   
গবেষণাধর্মী  
অমিয় ধারা (২০২০)
১৫।
  বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাস  
গবেষণাধর্মী  
অমিয় ধারা (২০২০)
১৬।
  Investment Migration  
গবেষণাধর্মী   
অমিয় ধারা (২০২০)
১৭।
  How far uninhabitable        
প্রবন্ধ              
অমিয় ধারা (২০২০)
 

লেখক ও গবেষক মেজর ( অব.) সুধীর সাহা নবাবগঞ্জের গর্ব। তাঁর গবেষণামূলক লেখা ও পরিবেশসহ সামাজিক কর্মকান্ড আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে । নতুন প্রজন্মের কাছে তারঁ এই কর্মকান্ড প্রেরনা যোগাবে-নিঃসন্দহে বলা যেতে পারে।

https://ranabhuiyan.com/নবাবগঞ্জঃ-মেজরঅবঃ-সুধীর/(opens in a new tab)